সর্বশেষঃ
দুনিয়াজুড়ে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ ! নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ৫০ লাখ টাকা চেয়ে রিট দায়ের ‘১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলার আসামি গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর’ তিতাসের সাবেক ব্যবস্থাপক মহিদুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ‘নগরীতে ১,৬৪৬ বাস পারমিটবিহীন, ১ ডিসেম্বর থেকে অভিযান শুরু ‘ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়া: চিকিৎসক নদী, খাল ও জলাধারের অবৈধ দখল উচ্ছেদ চলবে: ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব মেয়রকে নেয়ার কথা বললেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ডিএসসিসির ময়লার গাড়ি চলাচ্ছিলেন লাইসেন্স ছাড়াই হারুন-রাসেল : র‌্যাব চট্টগ্রামে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান মুশফিকের
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৫২ অপরাহ্ন

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে !

দূরবীন নিউজ ডেস্ক :
বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ হার্টের সমস্যায় ভুগছে। প্রায়ই শোনা যায়, হার্ট অ্যাটাকের ফলে মৃত্যুর খবর। বেশিরভাগ বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়। বর্তমানে হৃদ রোগ বা হার্ট অ্যাটাক একটা সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ এবং ৫৫ বা তার বেশি বয়সের নারীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, কম বয়সী পুরুষ ও নারীদের থেকে বেশি থাকে। তবে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক কী?
যখন আমাদের হার্টে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাক হয়। আমাদের হৃদপিণ্ডের নিজস্ব রক্তনালি থাকে। এই রক্তনালিতে চর্বি, কোলেস্টেরল জমে গেলে এর ওপর রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। ফলে, রক্তনালিগুলো পুরোপুরি ব্লক হয়ে যায়, রক্ত প্রবাহের পথে বাধা পায়। এর ফলে, হঠাৎ করে বুকে ব্যথা এবং সেখান থেকে পরিস্থিতি জটিল হলে মৃত্যুও হতে পারে। একেই আমরা হার্ট অ্যাটাক বলি। ( সূত্র: নয়া দিগন্ত)।

একে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন-ও বলা হয়। এককথায় বলা যায়, রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হার্টের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। হৃদপিণ্ডের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন প্রবাহিত না হতে পারলেই হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক এমন গুরুতর অসুখ, যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন। না হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে।
ক) ধূমপান, মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
খ) নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
গ) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন
ঘ) বিষণ্ণতা বা স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন
ঙ) ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন
চ) স্বাস্থ্যকর খাবার খান
ছ) নিয়মিত মেডিকেল চেক আপ করান।
হার্ট অ্যাটাকের কারণ :
কার্ডিয়াক অবস্থার কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। বেশিরভাগ হার্ট অ্যাটাক করোনারি হার্ট ডিজিজ দ্বারা সৃষ্ট হয়, রক্তনালিতে চর্বি, কোলেস্টেরল জমে রক্তনালিগুলোকে ব্লক করে দেয়।

যে যে কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক হতে পারে-
ক) অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অর্থাৎ অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান করলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
খ) স্ট্রেস, বিষণ্ণতা বা মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে
গ) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খেলে
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বাড়লে,
ঙ) স্থূলতা, বয়স
চ) পারিবারিক ইতিহাসে হার্ট অ্যাটাক থাকলে, ইত্যাদি।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ :
ক) বুকে অসহ্য চাপ, অস্বস্তি বা ব্যথা
খ) বমি বমি ভাব
গ) হঠাৎ মাথা ঘোরা বা মাথা ঝিমঝিম করা
ঘ) শ্বাসকষ্ট ঙ) ঠান্ডা ঘাম বেরিয়ে যাওয়া
চ) বাহু, গলা, পিঠ, চোয়াল বা পাকস্থলির উপরের অংশ ব্যথা বা অস্বস্তি
ছ) শক্তি হারিয়ে ফেলা বা শারীরিক দুর্বলতা, ইত্যাদি

রোগনির্ণয় :
হৃদরোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন, রক্ত পরীক্ষাও করতে পারেন।
রোগ নির্ণয়ের জন্য যে যে পরীক্ষাগুলো চিকিৎসক করতে দিতে পারেন-
ক) ইকোকার্ডিওগ্রাম
খ) চেস্ট এক্স-রে
গ) করোনারি ক্যাথেটারাইজেশন (এনজিওগ্রাম)
ঘ) কার্ডিয়াক CT বা MRI

হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে চিকিৎসা :
এই রোগের ক্ষেত্রে রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। কারণ, গবেষণায় জানা গেছে, এইসব রোগের ক্ষেত্রে রোগীর চিকিৎসা একটু দেরি হলেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে তার জন্য আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

রোগীর জিহবার নিচে একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট দিতে হবে। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে রোগীর ECG করতে দিতে পারেন এবং অক্সিজেনও দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। হার্ট অ্যাটাকের কারণ এবং অবস্থার উপর নির্ভর করে, চিকিৎসক বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার পরামর্শ দেবেন।

এছাড়া, চিকিৎসক এমন কিছু পদ্ধতির পরামর্শ দেবেন যা ব্যথা উপশম করতে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সহায়তা করে। পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে, এনজিওগ্রাম, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, হার্ট বাইপাস সার্জারি, হার্ট ভালভ সার্জারি, পেসমেকার এবং হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট, ইত্যাদি।

এই রোগ চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাসপিরিন, অ্যান্টিপ্লেটলেট এবং অ্যান্টিকোঅ্যাগুল্যান্টস, পেনকিলার, থ্রোমবোলাইটিক্স, বিটা-ব্লকারস, স্ট্যাটিনস, নাইট্রোগ্লিসারিন এবং রক্তচাপের ওষুধ, ইত্যাদি।

প্রথমে এনজিওগ্রাম করে ব্লকের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে। যদি ব্লক বেশি হয় এবং ওষুধে সমাধান হবে না বলে মনে হয়, তবে এনজিওপ্লাস্টি (Angioplasty) করতে হতে পারে। এছাড়াও, চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে ওপেন হার্ট সার্জারি বা বাইপাস সার্জারি করতে পারেন। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
  • ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩১ অপরাহ্ণ
  • ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    33% 2 / 6
  • না
    66% 4 / 6