শিরোনাম :
ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজায় নারী ও শিশুরা বেশি মারা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালাচ্ছে : চীন ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বৃষ্টির মতো বিমান হামলা চালাচ্ছে গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ ‘করোনা সারাতে গোবর-গোমূত্র কাজ করে না’ এ মন্তবে ভারতে সাংবাদিকসহ ২জন রিমান্ডে আগামী ২৯ মে পর্যন্ত কওমী মাদরাসাসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি ‘ইনসেপ্টা’ চীনের করোনার টিকা উৎপাদন করবে সারাদেশে করোনায় একদিনে ২৫ জনের মৃত্যু ‘লকডাউনে’ লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হঠাৎ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে গাঙচিল বাহিনীর ‘ভাগিনা নাঈম’ গ্রেফতার আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হয়েছে গাজায় হামলা চলবে : ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ২৯ মে পর্যন্ত সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বৃদ্ধি চট্টগ্রামে জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩ দিনের রিমান্ড ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজায় আলজাজিরার অফিস ভবনটি ২ সেকেন্ডেই ধ্বংস করোনায় দূরপাল্লার বাস ছাড়ার অনুমতি নেই আধুনিক ঢাকা গড়াতে চান ডিএনসিসির মেয়র আতিক ইসরায়েলি বাহিনীর গাজায় ‘আল জাজিরা ও এপির’ কার্যালয়ে হামলা
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি কার্যকর

দূরবীণ নিউজ প্রতিবেদক :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগজ্ঞে মাজেদের ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কারা সূত্র।

মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা নিয়ে শনিবার কারাগারের চারপাশে বিকেল থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশের তিন স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী চারদিক থেকে কারাগার ঘেরাও করে রাখে। ফাঁসি কার্যকরের খবর শুনে সাংবাদিকেরাও কারাফটকের দিকে যেতে শুরু করেন।

কারা সূত্র জানায়, ফাঁসি কার্যকর করতে রাত ১২টা ১ মিনিট নির্ধারণ করা হয়। নিয়ম অনুসারে এর আগে শুক্রবার আবদুল মাজেদের পরিবার তাঁর সঙ্গে দেখা করে।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু হয়। সে সময় আত্মগোপনে চলে যান মাজেদ। তাঁর স্ত্রী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন। মাজেদের চার মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তাঁর গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিনে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদকে সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এম হেলাল চৌধুরী আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। সেদিনই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার জন্য আবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি সে আবেদন নাকচ করে দিলে তাঁর ফাঁসির রায় কার্যকরের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়।

তবে এত দিন মাজেদ কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। গ্রেপ্তারের পর মাজেদ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হেমায়েত উদ্দিনকে বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ২২-২৩ বছর ধরে তিনি কলকাতায় ছিলেন। সেখান থেকে চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসেন। এরপর তিনি ঢাকাতেই ছিলেন।
তবে অন্য একটি সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে ভারত সরকার মাজেদকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়। এরপর বিশেষ ব্যবস্থায় তাঁকে দেশে আনা হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর অন্য সব খুনির সঙ্গে আবদুল মাজেদ প্রথমে লিবিয়ায় চলে যান। এরপর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান তাঁকে সেনেগাল দূতাবাসে চাকরি দেন।

১৯৮০ সালে দেশে ফিরে আসার পর তিনি বিআইডব্লিউটিসিতে যোগ দেন। সে সময় উপসচিব পদমর্যাদায় তিনি চাকরি করেন। পরে তিনি যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে পরিচালক পদে যোগ দেন।
এর আগে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি এখনো পালিয়ে আছেন। এঁদের মধ্যে এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী কানাডায় ও এ এম রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। অন্য তিনজন খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম ও মোসলেম উদ্দিনের অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। এ ছাড়া ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আরেক আসামি আজিজ পাশা ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর দায়মুক্তি আইন বাতিল হলে ওই বছরের ২ অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। # কাশেম


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/courentn/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৭৮০,১৫৯
সুস্থ
৭২২,০৩৬
মৃত্যু
১২,১৪৯
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৬২,২৭৬,১৮৪
সুস্থ
৯৮,৩৬৯,৮৫৮
মৃত্যু
৩,৩৬৬,৮৩৬

.