সর্বশেষঃ
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

‘এক-আইডি’ নাগরিকের যাবতীয় সেবা

ডেস্ক রিপোর্ট

বর্তমান সরকার দেশের সব নাগরিককে একক পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এই পরিচয়পত্রটির নাম হবে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি (এক-আইডি)। জন্মের পরই শিশুরা এই পরিচয়পত্র পাবে। সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ধরনের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে। স্থায়ী ও স্বতন্ত্র এই পরিচয়পত্র তৈরির জন্য নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ।

নতুন প্রকল্পের নাম ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)। প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। সময়কাল ২০২৬-২০৩১ সাল। প্রকল্পটি অনুমোদনের প্রক্রিয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। দেশে এখন শিশুদের জন্মনিবন্ধনের পর সনদ দেওয়া হয়।

১৮ বছর বয়স হলে পাওয়া যায় জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড। নতুন পরিচয়পত্র দেওয়া হবে দেশের সব নাগরিককে। নতুন পরিচয়পত্র পাওয়ার পর সরকারি দপ্তরে মানুষকে একই তথ্য বারবার দিতে হবে না।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ বলছে, একক এই পরিচয়পত্র চালু হলে ধীরে ধীরে বিদ্যমান অন্য সব কার্ডের কার্যকারিতা থাকবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো কার্ডগুলোর সেবা নতুন কার্ডে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। যদিও সবকিছু এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নতুন প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জনশুমারির তথ্যের ভিত্তিতে দেশের ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কার্ড উত্পাদন ও মুদ্রণ লক্ষ্য ঠিক করা হবে ২০ কোটি।

প্রতিটি ‘পলিকার্বোনেট চিপ’ কার্ড উত্পাদন ও মুদ্রণ ব্যয় ধরা হয়েছে দুই ডলার। এর বাইরে প্রতিটি কার্ড বিতরণ ও সরবরাহে খরচ ধরা হয়েছে ১ ডলার। সে হিসাবে উত্পাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহ মিলিয়ে প্রতিটি কার্ডে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হতে পারে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বাকি ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আসবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ থেকে। সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ হবে কার্ডের উত্পাদন, মুদ্রণ ও বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে। এ খাতে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

দেশে এখন এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ (টিআইএন) বিভিন্ন ধরনের পরিচয়পত্র ও নম্বর রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও টিআইএনের তথ্যভান্ডারগুলোর মধ্যে কার্যকর আন্তঃসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিকের একই তথ্য বারবার সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না। এতে নাগরিকের ভোগান্তি কমবে।
#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

[prayer_time pt="on" sc="on"]

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    25% 3 / 12
  • না
    75% 9 / 12