সর্বশেষঃ
ডিএসসিসির ১ ইঞ্চি জমিও আর কেউ অবৈধভাবে দখলে রাখতে পারবে না মেয়র তাপস  RAJUK Employee Management System (REMS)-বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু মোকাবিলা করা বড় চ্যালেঞ্জ : মেয়র আতিকুল ইসলাম শেখ হাসিনাকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ও জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন শিশু আয়ানের মৃত্যু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট হাস্যকর : হাইকোর্ট ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট ক্র্যাবের নতুন সভাপতি ভোরের কাগজের কামরুজ্জামান, সম্পাদক যুগান্তরের সিরাজ সাকরাইনের ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান মেয়র শেখ তাপস ১ কোটি মানুষকে টিসিবি কার্ড দিয়েছে সরকার: মেয়র শেখ তাপস ঢাকাদক্ষিণ সিটিতে সকল ভোট কেন্দ্রে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

সারাদেশে ১৯ পয়েন্টে বন্যার পানি বিপৎসীমার ওপরে

ছবি সংগৃহিত

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক :
গত বছরের ন্যায় এবারও পাহাড়ী ঢল ও বন্যায় বাংলাদেশের ১৯টি পয়েন্টে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২ সেপ্টেম্বরও প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন গ্রাম। তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর ৯টি পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। স্টেশনগুলো হচ্ছে- ফুলছড়ি, সাঘাটা, বাহাদুরাবাদ, সারিয়াকান্দি, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ, পোড়াবাড়ী, মথুরা ও আরিচা। এ ছাড়া ধরলা নদী কুড়িগ্রামে, ঘাঘট গাইবান্ধায়, ব্রহ্মপুত্র হাতিয়া ও চিলমারীতে, আত্রাই বাঘাবাড়ীতে, ধলেশ্বরী এলাসিনে ও তুরাগ কালিয়াকৈরে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মা নদী তিন স্টেশনে গোয়ালন্দ, ভাগ্যকুল ও সুরেশ্বরে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুশিয়ারা ছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি কমছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ধরলার পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপত্সীমার পাঁচ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর বাজারের কাছে বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। এতে নতুন করে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গ্রামগুলো হলো- কাসারিরঘাট, কৌশল্যেরপার, বালারচর, কুমারপাড়া ও দীঘলহাইল্যা। ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার তিন শতাধিক চরের ৮০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, বন্যার পানিতে ২৪ হাজার ২৫০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত রয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন রয়েছে ২৩ হাজার ৮৫০ হেক্টরে। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গবাদি পশুর খাদ্য সংকট প্রকট হয়ে উঠছে। চিলমারী ও সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে রাজারহাট উপজেলার গতিয়াশাম, খিতাবখা, কিং ছিনাই ও সদর উপজেলার চর বড়াইবাড়ীসহ ২৫টি পয়েণ্টে নদীভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। গৃহহীন হয়েছে আরো শতাধিক পরিবার।

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় এক লাখ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নদ-নদী চলনবিল, ইছামতী, করতোয়া, ফুলজোড় ও বড়ালের পানি বৃদ্ধিও অব্যাহত আছে। এতে সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার নদী তীরবর্তী নিমাঞ্চল ও চরাঞ্চলসহ জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়িতে পানি ওঠায় চরাঞ্চলের পানিবন্দি মানুষের বিশুদ্ধ পানি ও গোখাদ্য সংকটে পড়েছে। পানি প্রবেশ করেছে প্রায় ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। পানি বৃদ্ধির কারণে কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলায় এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নদীপারের মানুষ। এরই মধ্যে নদীভাঙনে অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি, বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে জেলার ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রে পানি বৃদ্ধির ফলে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাটিয়ামারী, মধ্য খাটিয়ামারী, দক্ষিণ খাটিয়ামারী, পশ্চিম খাটিয়ামারী, চন্দনস্বর, উজালডাঙ্গা, গুপ্তমনি, কাওয়াবাধা ও মানিককর গ্রামে গত এক সপ্তাহে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ বৃষ্টি ও খাদ্য সমস্যার কারণে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার এক হাজার ৫১৫ হেক্টর রোপা আমন এক হাজার ৪৯৫ হেক্টর ও শাক-সবজির ক্ষেত ২০ হেক্টর পানিতে তলিয়ে গেছে।

যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ধস নেমেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ জনপদ নাটুয়ারপাড়া রক্ষা বাঁধে। গত মঙ্গলবার থেকে ওই বাঁধের শেষ প্রান্তের নদীতে প্রচণ্ড ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে নাটুয়ারপাড়াসহ আশপাশের ১৫ গ্রামের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১৬ অপরাহ্ণ
  • ৪:১৯ অপরাহ্ণ
  • ৬:০০ অপরাহ্ণ
  • ৭:১৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    30% 3 / 10
  • না
    70% 7 / 10