শিরোনাম :
বিএনপিতে বিভেদ -গ্রুপিং আছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি সারাদেশে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে করোনায় সারাবিশ্বে ৩৮ লাখ ২৮২ জনের মৃত্যু ঢাকা, সিলেট ও কুমিল্লায় উপ নির্বাচনে নৌকার ৩ প্রার্থী তুরস্কে ৬ মিনারের বৃহত্তম মসজিদটি পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে একদিনে সারাদেশে করোনায় আরো ৪৩ জনের মৃত্যু করোনা পরিস্থিতিতে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তাদের ‘লাল তীর গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র’ পরিদর্শন বিএনপির নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না: হানিফ বিএনপি যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের মানুষকে আশাবাদী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা : তথ্যমন্ত্রী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের আরো ত্যাগ স্বীকার করতে হবে : সোহেল কেরানীগঞ্জে শিশু কিশোরদের সাথে বিএনপির নেতা প্রকৌশলী ইশরাক নিপুণ রায় চৌধুরীকে অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সহকারী আশুতোষ বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ২০ জুন থেকে বার কাউন্সিলের নতুন ভবনে অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রেলপথ মন্ত্রী সুজনের দ্বিতীয় স্ত্রী অ্যাডভোকেট শাম্মী বিএনপি মহাসচিব অবলীলায় সুন্দরভাবে মিথ্যা বলে যাচ্ছেন : তথ্যমন্ত্রী. হাছান মাহমুদ সরকারের নিস্ক্রিয়তায় সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনা বাড়ছে : মির্জা ফখরুল
শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

বেতন না দিয়ে পোশাক কারখানায় লে-অফের নোটিশ, অভিযোগ শ্রমিক নেতাদের

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক :
নির্ধারিত সময়ে সব শ্রমিককে বেতন না দিয়ে ৪০ ভাগ পোশাক কারখানায় লে-অফের নোটিশ দিয়েছে। বাকী ৬০ ভাগ পোশাক কারখানাও লে-অফের নোটিশ দেয়ার পায়তারা করছে বলে গার্মেন্টস শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন।

এদিকে বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক নির্ধারিত সময় ১৬ এপ্রিলের মধ্যে ৮৭ ভাগ শ্রমিককে বেতন দেয়ার দাবি করলেও শ্রমিক নেতারা এটাকে ‘মিথ্যাচার’ বলছেন। তারা বলেছেন, অন্তত দুই হাজার কারখানার শ্রমিকরা বেতন পাননি। আর শতকরা হিসেবে ৩০ ভাগ কারখানায় বেতন হয়নি।

তাদের বেতন কবে দেয়া হবে তারা কোনো প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয়নি। এসব পোশাক কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তারা আরো বলেন, অনেক কারখানায় পাঁচ দিনের বেতন কেটে রাখা হয়েছে। অথচ সরকার পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটি দিয়েছিল।

বিজিএমইএ’র দাবি ও কারখানা লে-অফ:
বিজিইএমএ দাবি করেছে, তাদের সদস্যভুক্ত দুই হাজার ২৭৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৬৬৫টি কারখানার শ্রমিকের বেতন দেয়া হয়েছে। সদস্যভুক্ত কাখানাগুলোতে ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১৭ জন শ্রমিক আছেন। তাদের মধ্যে ২১ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ শ্রমিক বেতন পেয়েছেন। সেই হিসেবে ৮৭ ভাগ শ্রমিক বেতন পেয়েছেন। আর কারখানা হিসেবে ৭৩ ভাগ কারাখানা বেতন দিয়েছে।

বাস্তবে বিজিএমইএ’র সদস্য চার হাজার ৬২১টি কারখানা। রুবানা হক অবশ্য দাবি করেছেন, যেসব পোশাক কারখানা সরাসরি রপ্তানি করে, তাদেরই সদস্য বলা হচ্ছে।

কিন্তু জাতীয় গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন বলেন,‘বাস্তবে পোশাক কারখানা পাঁচ হাজারের বেশি। আর শ্রমিকের সংখ্যা কমপেক্ষ ৫০ লাখ। আসলে তারা যখন সুবিধা আদায় করতে চায়, তখন পোশাক কারখানা আর শ্রমিকের সংখ্যা বেশি দেখায়। আর যখন তাদের নিজেদের দিতে হয়, তখন সংখ্যাটা কমিয়ে ফেলে। যেসব কারখানা রপ্তানিকারকদের হয়ে সাব কন্ট্রাক্টে কাজ করে, তাদের দায়িত্ব নেয়া হয় না।’

তিনি বলেন,‘এখন পর্যন্ত ৩০ ভাগ পোশাক কারখানায় বেতন দেয়া হয়নি। বেতন না দিয়ে অনেক মালিক গা ঢাকা দিয়েছেন। এই সব মালিকের বিরুদ্ধে সরকার ফৌজদারী মামলা করুক। কারণ, সরকারও কোনোভাবে দায় এড়াতে পারে না।’

তিনি বলেন,‘যেসব কারখানায় বেতন দেয়া হয়েছে তাদের অধিকাংশই শ্রমিকদের পাঁচ দিনের বেতন কেটে রেখেছে, যা অন্যায়। আর ৪০ ভাগেরও বেশি কারখানা বেতন দিয়ে লে-অফের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে, যা সরকারের নির্দেশনার বিরুদ্ধে যায়।’ লে-অফের মাধ্যমে তারা শ্রমিকদের অর্ধেক বেতন দেয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বেতন দিয়ে আবার ছাঁটাইও করা হয়েছে অনেক কারখানায়। আবার কোনো কোনো কারখানায় অর্ধেক বেতন দেয়া হয়েছে। গাজীপুরের ড্যানিশ নিট ওয়্যারের শ্রমিক আব্দুল হাকিম জানান, তাদের বেশ বিছু শ্রমিককে বেতন দিয়ে ছাঁটাই করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘এখন আমরা চোখে অন্ধকার দেখছি।’

জানা গেছে, এরমধ্যে মালিকরা আবার ২৬ এপ্রিল থেকে কারখানা খোলার চিন্তা করছেন। রুবানা হক অবশ্য দাবি করেছেন,‘স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে কোনো কারখানা খোলা হবে না।’

রুবানা হক বলেন,‘যেসব পোশাক কারখানা বেতন দিতে পারেনি তারা ছোট ও মাঝারি। তারা সরাসরি রপ্তানি করে না। এই পরিস্থিতিতে তাদের নগদ টাকার সংকট তৈরি হয়েছে। আমরা ব্যাংককে বলছি। আশা করছি, তাদের কেউ কেউ লোন পেয়ে যাবেন। আমরা আশা করছি, আগামী ২০ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে বাকি শ্রমিকরা বেতন পেয়ে যাবেন।’

এর জবাবে বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি বলেন, ‘মালিকরা শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করেছে। তারপরও বিজিএমইএ যখন ২২ তারিখ পর্যন্ত সময় দিয়েছে, আমরা সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এরপর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।’

তবে তিনি বলেন,‘যেসব কারখানায় বেতন দেয়া হয়েছে সেখানেও একটা বড় ফাঁকি আছে। কারণ, অনেক শ্রমিক তাদের গ্রামের বাড়িতে আছেন। তারা বেতন না পেলেও হিসেবে ধরা হচ্ছে।’ # সূত্র : ডয়চে ভেলে


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/courentn/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৮১৫,২৮২
সুস্থ
৭৫৫,৩০২
মৃত্যু
১২,৯১৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৫,০১৬,৫০১
সুস্থ
১১৩,১৯৫,৯৪৩
মৃত্যু
৩,৭৮২,৪৯১

.