শিরোনাম :
করোনায় RAC সদস্যদের জন্য বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সারাদেশে করোনায় একদিনে মৃত্যু- ৭৮, নতুন শনাক্ত–৫,৮১৯ জন কেরানীগঞ্জের ভাওয়ালে বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত সংগীত শিল্পী মিতা হক ৭ দিনের রিমান্ডে জেএমবির আমির রেজাউল বেসিক ব্যাংকে অর্থ আত্মসাৎ, গাজী বেলায়েতের বিদেশে যাবার অনুমতি দেয়নি হাইকোর্ট হাইকোর্টে ৩৫টি ভার্চুয়াল বেঞ্চের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ও আইনজীবীদের মানববন্ধন সাংবাদিক রকিবুলের মায়ের মৃত্যুতে ডিআরইউ’র শোক করোনায় সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ারের মৃত্যুতে ডিআরইউ’র শোক করোনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি রফিকের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় খুনিদের স্থান নেই : প্রধান বিচারপতি খাদ্য সচিব নাজমানারা করোনায় আক্রান্ত মুন্সিগঞ্জে বিস্ফোরণে পৌর মেয়রের স্ত্রীর মৃত্যু তিন সৈন্যের শিরোশ্ছেদ সৌদিতে ১৯ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিল মিয়ানমার আদালত করোনায় একদিনে ৭৭ জনের মৃত্যু,নতুন শনাক্ত ৫,৩৪৩ জন অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন: আইনমন্ত্রী ১৫ এপ্রিল বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু দুর্নীতিবাজরা দুদক আতঙ্কে, আর দুদক করোনা আতঙ্কে, পরিচালকসহ আক্রান্ত-২৩ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ডিএনসিসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফা
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিশ্বে করোনায় ১৬ হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক :
বিশ্বে ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা । ২৩ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জরিপ পর্যালোচনাকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওমিটার এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, ২৬ মিলিয়নের বেশি স্বাস্থকর্মী করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। এর আগে সংস্থাটির কর্মকর্তারা সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেছিলেন, করোনার বিস্তার মাত্র কয়েক সপ্তাহে বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে দিতে পারে।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৬। এর মধ্যে ১৬ হাজার ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা গ্রহণের পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লাখ এক হাজার ৬৫ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। উৎপত্তিস্থল চীনে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেও সেখানে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমে গেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে।

চীনের বাইরে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ দুনিয়াজুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওমিটারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা চীনে। সেখানে মোট ৮১ হাজার ৯৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ২৭০ জনের। তবে মৃতের হিসেবে চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৭। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৯২৭ জন।

মৃতের হিসাবে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৮৯। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ২০৬ জনের।

স্পেনের পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইরানে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৪৯ জন। এর মধ্যে এক হাজার ৮১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছে ৪০ হাজার ৮৫৫ জন। এর মধ্যে ৪৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের নেতৃত্ব গঠিত হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের এক কর্মীও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এরপর মাইক পেন্স ও তার পরিবারের সদস্যদের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরীক্ষায় তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশে নতুন করে আরও ছয় জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগী ৩৩ জন। নতুন ছয় রোগীর মধ্যে পুরুষ তিন জন, নারী তিন জন। সরকারি হিসাবে, মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৭ জন। এর মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাকিস্তানে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭৩ জন। ‍এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান বলেছেন, দুনিয়াব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সোমবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সংস্থাটির মহাপরিদর্শক তেড্রোস আডানম গ্যব্রিয়ুস বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ থেকে ১ লাখে পৌঁছাতে ৬৭ দিন সময় লেগেছে। দ্বিতীয় এক লাখ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছে ১১ দিন। কিন্তু তৃতীয় এক লাখ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ দিন।
তেড্রোস আডানম গ্যব্রিয়ুস বলেন, আসন্ন জি-২০ সম্মেলনে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের একসঙ্গে প্রতিরোধ সরঞ্জাম উৎপাদনে কাজ করার আহ্বান জানাবেন তিনি।

তিনি বলেন, জি-২০ দেশগুলোর ঐক্য আমাদের প্রয়োজন। কারণ, বিশ্বের মোট জিডিপির ৮০ শতাংশ এসব দেশের। স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষাকে যদি আমরা অগ্রাধিকার না দেই তাহলে অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। কেননা, যারা তাদের সেবা দিয়ে জীবন রক্ষা করতে পারতেন তারাই অসুস্থ থাকবেন। # কাশেম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৬৮৪,৭৫৬
সুস্থ
৫৭৬,৫৯০
মৃত্যু
৯,৭৩৯
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩৫,১৭১,৮৪২
সুস্থ
৭৬,৮৭২,৩৬৩
মৃত্যু
২,৯২৫,৫৯৪

.