শিরোনাম :
নায়িকা পরীমনির মামলায় ব্যবসায়ী নাসির ও অমিসহ গ্রেফতার -৫ করোনায় সারাদেশে ২৪ ঘন্টায় ৫৪ জনের মৃত্যু কালশী অগ্নীকান্ডের ৭ম বার্ষিকী, বিহারীদের মিলাদ মাহফিল স্বেচ্ছাসেবক দল ফরিদপুর আহবায়ক কমিটি, হবিগঞ্জে ১০টি ইউনিট কমিটি অনুমোদন ঢাকা দক্ষিণে নিম্নাঞ্চলে জলপ্রবাহের জায়গা পুনরুদ্ধার ও খনন কাজ শুরু পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ: ডিএসসিসি আমার ফেসবুক- টুইটার নেই , যারা আমার নামে চালায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব : মির্জা ফখরুল কুষ্টিয়ায় গুলিতে নিহত ৩ জনের লাশ হস্তান্তর নুরসহ ৪ জনকে এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের সহযোগিতার মামলা থেকে অব্যাহতি খালেদা জিয়ার কিডনি ও ফুসফুস ঠিক মত কাজ করছে না: বিএনপি মহাসচিব  নির্যাতিত নায়িকা পরীমণির ব্যবসায়ী নাসিরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ফুসফুস ও কিডনি জটিলতায়  খালেদা জিয়া : বিএনপি মহাসচিব বিসিকের ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ বিনিয়োগ কারীদের হয়রানী দূর করবে বিএসআরএফ’র নির্বাচনে সভাপতি জনকন্ঠের তপন , সম্পাদক ইউএনবি’র মাসউদুল ঢাকা দক্ষিণে ওয়াসার ড্রেনের জমাট বাধা বর্জ্য অপসারণ চলছে আওয়ামী লীগ কি কচুরিপানা ! সেতুমন্ত্রী আজ চীনের উপহারের ৬ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় এসেছে করোনায় সারাদেশে ১ দিনের ৪৭ জনের মৃত্যু ‘এক বছরেও ক্র্যাবের সাবেক সম্পাদক নান্নুর মৃত্যু রহস্য উদঘাটন হয়নি’ হাইকোর্টে . খালেদা জিয়ার জন্মসনদসহ নথিপত্র তলব
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ন

টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে দুদক সচিবের বক্তব্য

দূরবীণ নিউজ প্রতিবেদক :
দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর ফলো-আপ গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য টিআইবিকে অভিনন্দন জানায় দুদক । টিআইবি’র এই গবেষণায় দুদকের স্কোর উচ্চ শ্রেণি থেকে মাত্র ৭ ভাগ কম। আমরা প্রত্যাশা করি সকলের সহযোগিতায় কমিশন অচিরেই উচ্চ শ্রেণিতে প্রবেশ করবে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত টিআইবির প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটিকে অভিনন্দন জানায়ন। দুদক সচিব বলেন, টিআইবির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে কোনো কোনো ইন্ডিকেটরে বস্তনিষ্ঠ তথ্যের প্রতিফলন ঘটেনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব আরো বলেন, তবে এই গবেষণায় বলা হয়েছে বড় দুর্নীতিবাজদের ধরার ক্ষেত্রে দুদকের দৃশ্যমান সাফল্য নেই। আবার একই গবেষণায় টিআইবি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তে দুদককে উচ্চ স্কোর দিয়েছে ।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘ দুদক রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে এবং রাজনৈতিক পক্ষকে হয়রানি করা হচ্ছে ।’ এই বক্তব্যের সত্যতা/সঠিকতা আপনারাই বিচার করুন।
দুদক বর্তমানে যাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় যদিও দুদকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারপরও টিআইবি’র গবেষণায় যেহেতু বিষয়টি এসেছ তাই আমরা যদি এদের রাজনৈতিক পরিচয়ের লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যাবে অধিকাংশই সরকারি দলের নেতা-কর্মী।

তিনি বলেন, এমপি থেকে শুরু করে সাবেক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের অনেক উচ্চ পর্যায়ের নেতাদেরকে আইন-আমলে আনা হয়েছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দর্শনের বিরোধীদের কতজনকে কমিশন প্রসিকিউট করেছে তার পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এটা খুব জটিল বিষয় ছিল না। তাহলে কিন্তু এ বিষয়টি হয়তো প্রতিবেদনে আসতই না।

কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা হয়েছে, আপনারা দেখছেন প্রতিদিনই কোনা না কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে , অভিযোগপত্র দেওয়া হচ্ছে , কারো বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণে কারো পক্ষেই হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। কমিশনের সিদ্ধান্ত কীভাবে হস্তক্ষেপ হয় তা আমাদের বোধগম্য নয়। । কমিশনের বর্তমান নেতৃত্ব কমিশনের স্বাধীনতা শতভাগ নিশ্চিতকল্পে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

দুদকের অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য এসেছে। এ বিষয়ে কমিশন থেকে বার বার বলা হয়েছে কমিশন আইনের তফসিলভুক্ত বহির্ভূত অভিযোগের ওপর কমিশনের পক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

এটা আইনি ম্যান্ডেট । ম্যান্ডেট-এর বাইরে গিয়ে কোনো প্রকার বেআইনি কাজ কমিশন করবে না। কমিশন শতভাগ আইন বিধি-বিধান অনুসরণ করবে।

কারো আবেগ এবং প্ররোচনায় এ জাতীয় সিদ্ধান্ত নিবে না। কমিশনে যত অভিযোগ আসে তার সিংহভাগই আমাদের ম্যান্ডেট বহির্ভূত। যে বিষয়টি টিআইবি হয়তো বিবেচনায় আনেনি। সব দুর্নীতির দায় দুদকের নয়।

জনআস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, এ বিষয়ে আমি একটি পরিসংখ্যান আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। আপনারাই বিচার বিশ্লেষণ করবেন।

দুদক সচিব বলেন, কমিশনের জনআস্থা যদি না বাড়বে তাহলে ২১০৫ সালে যেখানে অভিযোগ ছিল মাত্র ১০,৪১৫ টি পক্ষান্তরে তারপর থেকে তা ক্রমাগত বাড়ছে।
২০১৫,২০১৬, ২০১৭ , ২০১৮ ও ২০১৯ সালে কমিশনে প্রাপ্ত অভিযোগের তুলনামূলক চিত্র
সাল প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা
২০১৫ ১০,৪১৫
২০১৬ ১২,৯৯০
২০১৭ ১৭,৯৮৩
২০১৮ ১৬,৬০৬
২০১৯ ২১,৩৭১

বিগত ৫ বছরের অভিযোগ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৯ সালে কমিশনে সর্বাধিক সংখ্যক লিখিত অভিযোগ দাখিল হয়েছে। এই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৯ সালেই সর্বাধিক সংখ্যক অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

তাছাড়া একই বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিযোগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ বা সংস্থায় প্রেরণ করা হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে দুদকে জমা হওযা অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া – দুদকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়।

কমিশন মনে করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বস কিছুটা হলেও বেড়েছে। হয়তো সে কারণেই ২০১৫ সালের চেয়ে ২০১৯ সালে দ্বিগুণেরও বেশি সংখ্যক অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়আমাদের এই বক্তব্য যুক্তিংগত কি না তা আপনারাই বিবেচনা করবেন।

পরিশেষে বলবো সমালোচনা করেন তা যেন বাস্তসম্মত ও গঠনমূলক হয়। আমরা চাই টিআইবি দুদকের ভাল কাজের কথাও বলুক।
দুদক সচিব আরো বলেন, টিআইবি দুদকের অন্যতম সহযোগী।

তারা যেসব তথ্য চেয়েছে সবই কমিশন থেকে দেওয়া হয়েছে।তবে যেসব বক্তব্য পরিত্রকায় এসেছে , প্রতিবেদনের সাথে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর তেমন মিল নেই। আমরা সবাই স্ব-স্ব দায়িত্ব ম্বচ্ছতার সাথে পালন করবো এটাই আমাদের প্রত্যাশা। # কাশেম


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/courentn/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৮২৯,৯৭২
সুস্থ
৭৬৮,৮৩০
মৃত্যু
১৩,১৭২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৫,৭০১,৭৫৩
সুস্থ
১১৩,৯৬৫,৮৩৩
মৃত্যু
৩,৮০১,৬০২

.