সর্বশেষঃ
বিভিন্ন হাসপাতালে আরো ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু রাজধানীর চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশের কোনো প্রমাণ নেই : ড. হাছান মাহমুদ কমনওয়েলথের সহায়তায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সঙ্কট নিরসন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনতে যাচ্ছে সামরিক জান্তা ক্রিকেটে বাংলাদেশকে হারিয়ে জয়ে পেয়েছে আফগানিস্তান অর্থ আত্মসাতের মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে ই-কমার্স ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডি করোনায় নাজিরা বাজার মাতৃসদনের ডা. কৌশিকি’র মৃত্যুতে মেয়র তাপসের শোক ডেঙ্গুর ভয়া বহতা, নগরবাসী দিশেহার, মেয়র ও কাউন্সিলরা কোথায় ! : সচেতন নাগরিক সমাজ আফগানিস্তানের ৮১ নারী ফুটবলার পাকিস্তানে আশ্রয় নিলেন
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

করোনার আতঙ্কে দক্ষিণ কোরিয়ায় রাস্তা ফাঁকা

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক :
এবার করোনাভাইরাস আতঙ্কে দক্ষিণ কোরিয়ার শহরগুলোর রাস্তায় প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে ৬ শতাধিক লোক – মারা গেছেন ৫ জন। খবর বিবিসি বাংলার।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংক্রমিতদের একটা বড় অংশই এই দেগু শহরের। “রাস্তাঘাটে কেউ নেই, একদমই ফাঁকা। শিশুরা নেই, বয়স্ক লোকদেরও কাউকেই রাস্তাঘাটে দেখা যাচ্ছে না। গত দুই দিন ধরে এমন অবস্থা দেখছি”।

দেগু শহর থেকে বিবিসি বাংলার প্রতিনিধির জিয়াউর রহমানের সচিত্র এই প্রতিবেদনটি । তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় এই শহরে আছেন আট বছর ধরে, কাজ করেন একটি কারখানায়।

জিয়াউর রহমান বলছিলেন, “দেগুতে চার হাজারের বেশি বাংলাদেশি রয়েছে, এবং তাদের মধ্যে ফেসবুক বা অন্য উপায়ে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তাতে যেসব কথাবার্তা শুনছি – তাতে বুঝতে পারছি যে বাংলাদেশীরা ভীষণভাবে আতংকিত।”

“আজকে একটা শপিং মলে গিয়েছিলাম বাজার করতে। খাদ্যদ্রব্য তেমন একটা নেই। ফলমূলের অভাব দেখা যাচ্ছে। মানুষজন আগেই সব কিনে ফেলেছে। বেচাকেনা মোটামুটি শেষ। হ্যান্ডওয়াশ কিনতে গিয়েছিলাম, পাইনি।”

ঘরে খাবার মজুতের প্রবণতা দেখা গেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য বাংলাদেশীদের মধ্যেও । দেগু থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের বুসান শহরে থাকেন এ জামান শাওন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় আছেন চার বছর ধরে।

তিনিও বলছেন, বুসান শহরে ৬/৭ জন করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন বলে গতকাল পর্যন্ত জানা গেছে। শহরের রাস্তায় লোকজন কমে গেছে। লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই দোকান থেকে নানা জিনিসপত্র কিনে ঘরে জমিয়ে রাখছেন।

এ জামান শাওন বলছেন, তিনি নিজেও এক মাসের খাবার কিনে ঘরে জমিয়ে রেখেছেন, এবং তার পরিচিত অন্য অনেকেই এটা করেছেন।

তিনি বলছেন, কর্তৃপক্ষ ১০ মিনিট পর পর মোবাইলে টেক্সট মেসেজ করে লোকজনকে নানা স্বাস্থ্য নির্দেশিকা জানাচ্ছে।

তবে দেগু থেকে জিয়াউর রহমান বলছেন, “আমি অতটা করি নাই। শাকসব্জি তো আর কেনা যায় না। আলু বা মাছের মতো যা ফ্রিজে রাখা যায় – সেগুলো কিছু কিনেছি।”

“আমি যে কারখানায় কাজ করি – তার কাছেই একটি এলাকা আছে সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার লোক বাস করে। সেখানকার কোন লোককে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না।”

আপনি কি এ রোগের কথা ভেবে আতঙ্কিত? এ প্রশ্ন করা হলে মি. রহমান বলেন, “আতঙ্ক তো অবশ্যই আছে। তবে একদিন তো মৃত্যু হবেই।

কিন্তু আমি যদি আক্রান্ত হই তাহলে আমাকে হয়তো এক মাস হাসপাতালে থাকতে হবে, তার মধ্যে রোগ না সারলে আরো এক মাস। আমি এ দেশে একা – সে জন্য এতদিন হাসপাতালে থাকার কথা ভেবে ভয় হচ্ছে।”

“আল্লাহ না করুক, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশী যদি এখানে মারা যায় – তাহলে তার লাশটাও কিন্তু দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। এটাও একটা আতঙ্ক। আমি মনে মনে এটা চিন্তা করি। এটা একটা বিরাট জিনিস।”

এ অবস্থায় কিছুদিনের জন্য হলেও দেশে চলে যাবার চিন্তা করছেন কিনা – এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “না আমি এরকম চিন্তা করি নাই। আমি এখানেই নিরাপদ থাকার চেষ্টা করবো।”

“আমি আমার কাজের জায়গা থেকে এক কিলোমিটার দূরে থাকি। এই পথটা আমি সাইকেল চালিয়ে আসি। এই যাতায়াতটা আমার কাছে এক বিরাট আতঙ্কের বিষয়। এই রাস্তাটুকুতে আমার কারো সাথে দেখা হলে কি হবে না হবে – এটা আমার এক বিরাট আতঙ্ক।”

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন বলছেন, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আগামি কয়েক দিন কী ঘটে তা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
  • ৪:১৯ অপরাহ্ণ
  • ৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৭:২০ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    20% 1 / 5
  • না
    80% 4 / 5