শিরোনাম :
সাংবাদিক রকিবুলের মায়ের মৃত্যুতে ডিআরইউ’র শোক করোনায় সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ারের মৃত্যুতে ডিআরইউ’র শোক করোনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি রফিকের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় খুনিদের স্থান নেই : প্রধান বিচারপতি খাদ্য সচিব নাজমানারা করোনায় আক্রান্ত মুন্সিগঞ্জে বিস্ফোরণে পৌর মেয়রের স্ত্রীর মৃত্যু তিন সৈন্যের শিরোশ্ছেদ সৌদিতে ১৯ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিল মিয়ানমার আদালত করোনায় একদিনে ৭৭ জনের মৃত্যু,নতুন শনাক্ত ৫,৩৪৩ জন অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন: আইনমন্ত্রী ১৫ এপ্রিল বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু দুর্নীতিবাজরা দুদক আতঙ্কে, আর দুদক করোনা আতঙ্কে, পরিচালকসহ আক্রান্ত-২৩ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ডিএনসিসির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফা করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন সাঈদ খোকন ৩০ মে, ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মতিঝিল থানার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ব্রিটেনের প্রিন্স ফিলিপ আর নেই একদিনে দেশে করোনায় আরো ৬৩ জনের মৃত্যু,নতুন শনাক্ত ৭,৪৬২ রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়: জন কেরি করোনায় এপর্যন্ত ১,৪৩২ আনসার আক্রান্ত
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন

করোনার আতঙ্কে দক্ষিণ কোরিয়ায় রাস্তা ফাঁকা

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক :
এবার করোনাভাইরাস আতঙ্কে দক্ষিণ কোরিয়ার শহরগুলোর রাস্তায় প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে ৬ শতাধিক লোক – মারা গেছেন ৫ জন। খবর বিবিসি বাংলার।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংক্রমিতদের একটা বড় অংশই এই দেগু শহরের। “রাস্তাঘাটে কেউ নেই, একদমই ফাঁকা। শিশুরা নেই, বয়স্ক লোকদেরও কাউকেই রাস্তাঘাটে দেখা যাচ্ছে না। গত দুই দিন ধরে এমন অবস্থা দেখছি”।

দেগু শহর থেকে বিবিসি বাংলার প্রতিনিধির জিয়াউর রহমানের সচিত্র এই প্রতিবেদনটি । তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় এই শহরে আছেন আট বছর ধরে, কাজ করেন একটি কারখানায়।

জিয়াউর রহমান বলছিলেন, “দেগুতে চার হাজারের বেশি বাংলাদেশি রয়েছে, এবং তাদের মধ্যে ফেসবুক বা অন্য উপায়ে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তাতে যেসব কথাবার্তা শুনছি – তাতে বুঝতে পারছি যে বাংলাদেশীরা ভীষণভাবে আতংকিত।”

“আজকে একটা শপিং মলে গিয়েছিলাম বাজার করতে। খাদ্যদ্রব্য তেমন একটা নেই। ফলমূলের অভাব দেখা যাচ্ছে। মানুষজন আগেই সব কিনে ফেলেছে। বেচাকেনা মোটামুটি শেষ। হ্যান্ডওয়াশ কিনতে গিয়েছিলাম, পাইনি।”

ঘরে খাবার মজুতের প্রবণতা দেখা গেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য বাংলাদেশীদের মধ্যেও । দেগু থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের বুসান শহরে থাকেন এ জামান শাওন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় আছেন চার বছর ধরে।

তিনিও বলছেন, বুসান শহরে ৬/৭ জন করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন বলে গতকাল পর্যন্ত জানা গেছে। শহরের রাস্তায় লোকজন কমে গেছে। লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই দোকান থেকে নানা জিনিসপত্র কিনে ঘরে জমিয়ে রাখছেন।

এ জামান শাওন বলছেন, তিনি নিজেও এক মাসের খাবার কিনে ঘরে জমিয়ে রেখেছেন, এবং তার পরিচিত অন্য অনেকেই এটা করেছেন।

তিনি বলছেন, কর্তৃপক্ষ ১০ মিনিট পর পর মোবাইলে টেক্সট মেসেজ করে লোকজনকে নানা স্বাস্থ্য নির্দেশিকা জানাচ্ছে।

তবে দেগু থেকে জিয়াউর রহমান বলছেন, “আমি অতটা করি নাই। শাকসব্জি তো আর কেনা যায় না। আলু বা মাছের মতো যা ফ্রিজে রাখা যায় – সেগুলো কিছু কিনেছি।”

“আমি যে কারখানায় কাজ করি – তার কাছেই একটি এলাকা আছে সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার লোক বাস করে। সেখানকার কোন লোককে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না।”

আপনি কি এ রোগের কথা ভেবে আতঙ্কিত? এ প্রশ্ন করা হলে মি. রহমান বলেন, “আতঙ্ক তো অবশ্যই আছে। তবে একদিন তো মৃত্যু হবেই।

কিন্তু আমি যদি আক্রান্ত হই তাহলে আমাকে হয়তো এক মাস হাসপাতালে থাকতে হবে, তার মধ্যে রোগ না সারলে আরো এক মাস। আমি এ দেশে একা – সে জন্য এতদিন হাসপাতালে থাকার কথা ভেবে ভয় হচ্ছে।”

“আল্লাহ না করুক, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশী যদি এখানে মারা যায় – তাহলে তার লাশটাও কিন্তু দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। এটাও একটা আতঙ্ক। আমি মনে মনে এটা চিন্তা করি। এটা একটা বিরাট জিনিস।”

এ অবস্থায় কিছুদিনের জন্য হলেও দেশে চলে যাবার চিন্তা করছেন কিনা – এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “না আমি এরকম চিন্তা করি নাই। আমি এখানেই নিরাপদ থাকার চেষ্টা করবো।”

“আমি আমার কাজের জায়গা থেকে এক কিলোমিটার দূরে থাকি। এই পথটা আমি সাইকেল চালিয়ে আসি। এই যাতায়াতটা আমার কাছে এক বিরাট আতঙ্কের বিষয়। এই রাস্তাটুকুতে আমার কারো সাথে দেখা হলে কি হবে না হবে – এটা আমার এক বিরাট আতঙ্ক।”

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন বলছেন, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আগামি কয়েক দিন কী ঘটে তা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৬৭৮,৯৩৭
সুস্থ
৫৭২,৩৭৮
মৃত্যু
৯,৬৬১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩২,৯২৪,৮৭৩
সুস্থ
৭৫,৬৪৮,৪৩৭
মৃত্যু
২,৮৮৫,০৮২

.