শিরোনাম :
দেশে নির্বাচন, করোনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ : সিইসি নুরুল হুদা ‘রপ্তানি মুখি কৃষি উন্নয়নে সীড এসোসিয়েশন কাজ করে যাচ্ছে’ বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে, এই কমিশন নিরপেক্ষ হবে :কাদের রানী এলিজাবেথের ৯৫তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাত নিয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদনে মিথ্যাচার হয়েছে: জাহিদ মালেক বিএনপিতে বিভেদ -গ্রুপিং আছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি সারাদেশে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে করোনায় সারাবিশ্বে ৩৮ লাখ ২৮২ জনের মৃত্যু ঢাকা, সিলেট ও কুমিল্লায় উপ নির্বাচনে নৌকার ৩ প্রার্থী তুরস্কে ৬ মিনারের বৃহত্তম মসজিদটি পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে একদিনে সারাদেশে করোনায় আরো ৪৩ জনের মৃত্যু করোনা পরিস্থিতিতে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তাদের ‘লাল তীর গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র’ পরিদর্শন বিএনপির নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না: হানিফ বিএনপি যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের মানুষকে আশাবাদী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা : তথ্যমন্ত্রী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের আরো ত্যাগ স্বীকার করতে হবে : সোহেল কেরানীগঞ্জে শিশু কিশোরদের সাথে বিএনপির নেতা প্রকৌশলী ইশরাক নিপুণ রায় চৌধুরীকে অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

অস্বাভাবিক ক্ষমতাবান ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট

দূরবীণ নিউজ প্রতিবেদক :
অস্বাভাবিক ক্ষমতাবান পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতে( চার্জশিট) দাখিল করবে দুদক। বর্তমানে এই দুই জনই সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।

গণমাধ্যমকে দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত ১২ জানুয়ারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, তদন্তে ওই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কমিশন অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে। শিগগিরই বিচারিক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

দুদকের মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।
অনুসন্ধানে এর প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গত বছরের ১৬ জুলাই। মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন সংস্থাটির পরিচালক মোহাম্মদ ফানাফিল্লাহ। তিনিই মামলার তদন্ত করেন। তার তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনে অভিযোগপত্র দেয়ার জন্য অনুমোদন দেয়।

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে করা মামলার এজাহারে বলা হয়, খন্দকার এনামুল বাছির কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

ডিআইজি মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুযোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে তার অবৈধভাবে অর্জিত ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। ঘুষের ওই টাকার অবস্থান গোপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।

একইভাবে ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তার বিরুদ্ধে ওঠা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আশায় অর্থাৎ অনুসন্ধানের ফলাফল নিজের পক্ষে নেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে খন্দকার এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করেছেন। এ জন্য ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে পরস্পর যোগসাজশে প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ অর্জনসংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয় এনামুল বাছিরকে। ওই অনুসন্ধান চলমান অবস্থায় গত ৯ জুন ডিআইজি মিজান ওই অনুসন্ধান থেকে বাঁচতে এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর আসে। এর পরপরই দুদকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে খন্দকার এনামুল বাছিরের বক্তব্য গ্রহণ করে এবং পারিপার্শ্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে ঘুষ নেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরপর ১৩ জুন পরিচালক ফানাফিল্লাহর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে।

অনুসন্ধান দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ ও পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে।

তাতে দেখা গেছে, গত বছরের ১৫ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানুর রহমান একটি বাজারের ব্যাগে করে কিছু বইসহ ২৫ লাখ টাকা খন্দকার এনামুল বাছিরকে দেয়ার জন্য রাজধানীর রমনা পার্কে আসেন।
সেখানে কথাবার্তা শেষে একসঙ্গে বেরিয়ে শাহজাহানপুর এলাকায় যান। এরপর খন্দকার এনামুল বাছির ২৫ লাখ টাকাসহ ব্যাগটি নিয়ে তার বাসার দিকে চলে যান।

একইভাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিআইজি মিজান একটি শপিং ব্যাগে করে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে রমনা পার্কে যান। সেখানে আলাপ–আলোচনা শেষে দুজন শান্তিনগর এলাকায় চলে যান। শান্তিনগরে এনামুল বাছির ব্যাগটি নিয়ে চলে যান। দুদকের কাছে এ ঘটনার প্রযুক্তিগত প্রমাণের পাশাপাশি চাক্ষুষ সাক্ষীও রয়েছে।

এজাহারে দুদক আরও বলেছে, এনামুল বাছির ও মিজানের কথোপকথন পর্যালোচনায় তারা দেখেছে, বাছির তার ছেলেকে কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল থেকে আনা-নেওয়ার জন্য ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছে একটি গাড়িও দাবি করেন। বিষয়টি তিনি দুদকের বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কাছে স্বীকার করেন বলে এজাহারে বলা হয়।

অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ডিআইজি মিজান ও বাছির—দুজনই বেআইনিভাবে দুটি পৃথক সিম ব্যবহার করে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করেছেন। ওই সিম দুটি ডিআইজি মিজানের দেহরক্ষী মো. হৃদয় হাসান ও আরদালি মো. সাদ্দাম হোসেনের নামে কেনা।

সিমের সঙ্গে বাছিরকে একটি স্যামসাং মোবাইল ফোনও কিনে দেন মিজান। ওই দুটি নম্বরের মাধ্যমে মিজান ও বাছির নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন। দুদক বলছে, ডিআইজি মিজান অসৎ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ঘুষ লেনদেন–সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে সংরক্ষণ করেছেন এবং পরে সেগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধান দল বলেছে, অনুসন্ধানে পারিপার্শ্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে প্রমাণিত হয়েছে, নিজে অভিযোগের দায় থেকে বাঁচার জন্য ডিআইজি মিজানুর রহমান অসৎ উদ্দেশ্যে ঘুষ নিতে এনামুল বাছিরকে প্রভাবিত করেছেন। #


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/courentn/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

করোনা আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৮১৫,২৮২
সুস্থ
৭৫৫,৩০২
মৃত্যু
১২,৯১৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৭৫,১৪০,২৩৮
সুস্থ
১১৩,৩১৩,৪৩৫
মৃত্যু
৩,৭৮৪,৯২৭

.