সর্বশেষঃ
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে শক্তভাবে ধরেছে মরক্কো নতুন বাজেট বাস্তবায়নে ‘বড় ৩ বাধা’ চিহ্নত করেছে জামায়াতে ইসলামী নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, বৈষম্য তৈরি হবে: সিপিডি দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি ডি এম আতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন ডিজি  বিশ্বকাপে উদ্বোধনীতে দ. আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা মেক্সিকোর ডিএসসিসি ৩ দিনে ৩৬,০৮৬ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ডাম্পিং করেছে সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে : প্রধানমন্ত্রী হজ শেষে হাজিরা দেশে ফিরেছেন ঈদ ছুটি শেষে অফিস-আদালত ও ব্যাংক পুনরায় খুলছে সোমবার
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

খুলনায় জোয়ারের পানিতে দাঁড়িয়ে লোকজন ঈদের নামাজ পড়েছেন

দূরবীণ নিউজ ডেস্ক:
খুলনার কয়রা উপজেলার ২ নম্বর কয়রা গ্রামের লোকজন জোয়ারের পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ পড়েছেন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভেঙে গেছে নদীর বাঁধ। তলিয়ে গেছে এলাকা। চারদিকে শুধু পানি আর পানি।

এলাকার লোকজন জানান, আম্পানের ফলে এ উপজেলার ৮০ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ১২১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ২১টি স্থানে ৪০ কিলোমিটারের বেশি অংশ ভেঙে গেছে।

আজ সোমবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেন কয়েক হাজার মানুষ। কাজের ফাঁকে বেলা ১১টার দিকে ২ নম্বর কয়রা গ্রামের লোকজন পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

ঈদের নামাজে ইমামতি করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ খ ম তমিজ উদ্দিন। এতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম। তিনি নামাজের আগে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

এ সময় তিনি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কয়রাবাসীর দুর্বিষহ অবস্থা তুলে ধরেন এবং মজবুত বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণের কাজে অংশ নেওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার আমরা অন্য রকম ঈদ পালন করছি। স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণের সময় জোয়ারের পানি যখন হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন ঈদের নামাজ শুরু হয়। প্রায় ৬ হাজার মানুষ নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সবার জন্য ঈদের সেমাইয়ের ব্যবস্থা করেছি। এ ছাড়া দুপুরে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে খুলনার ৯টি উপজেলার ৮৩ হাজার ৫৬০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে কয়রা। এ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভেঙে ছোট-বড় ৫ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। অসহায় হয়ে পড়েছে প্রায় সাত লাখ মানুষ। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

[prayer_time pt="on" sc="on"]

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    25% 3 / 12
  • না
    75% 9 / 12