সর্বশেষঃ
কাঠামোগত সংস্কার হতে হবে : নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আগস্ট যাচ্ছেন চট্টগ্রামে, নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহিত গত জুলাই মাসে সৌদি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তেল আমদানি নেই হাসিনার  প্রকাশ্য বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকা-দিল্লি  নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রে ত্রুটি সংশোধনের আশ্বাস মন্ত্রণালয়ের ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও স্ত্রী নাইমা আইসিইউতে আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রতীক, ডকুমেন্টারিতে তার ছবি নেই কেনো প্রশ্ন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ছাত্রদলকে নিয়ন্ত্রণ না করলে সরকারের পরিনতি খারাপ কবে : ছাত্রশিবিরের সমাবেশে নেতারা উত্তর কোরিয়ার ১২০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার হাতে ব্যবহ্নত হতে পারে, ইউক্রেনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন

ইফতেফার দিহানের ‘ডোপ টেস্ট’ করা হচ্ছে

ফাইল ছবি

দূরবীণ নিউজ প্রতিবেদক:
দেশের বহুল আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহান (১৮) মাদক ও যৌনবর্ধক কোনো ওষুধ ও মাদক সেবন করেছেন কি-না তা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বিচারিক আদালত।

রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থীকে (১৭) ধর্ষণকালে আসামি যৌনবর্ধক কোনো ওষুধ সেবনের বিষয়টি নিশ্চিত হবার জন্য আসামি দিহানের ‘ডোপ টেস্ট’ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান আসামির ‘ডোপ টেস্ট করা’ পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

কলাবাগান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক স্বপন কুমার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন, কেনানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহান ধর্ষণকালে কোনো মাদক সেবন করেছিলেন কি-না তা জানার জন্য তার ডোপ টেস্ট করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি ধর্ষণকালে কোনো যৌনবর্ধক ওষুধ সেবন করেছিলেন কি-না এবং সেবন করলে কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করেছিলেন তা দিহানের রক্ত থেকে নমুনা সংগ্রহপূর্বক পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন।

জানা যায়, গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দিহান দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ওই দিনই নিহত ছাত্রীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে যৌন ও পায়ুপথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে কিনা, তার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কেমিক্যাল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে।’

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

এই মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়।

অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছান। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মারা যান।/


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অনুসন্ধান

নামাজের সময়সূচী

[prayer_time pt="on" sc="on"]

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এখন লিপসার্ভিসের দলে পরিণত হয়েছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন? Live

  • হ্যাঁ
    25% 3 / 12
  • না
    75% 9 / 12